- শেভিংয়ের চেয়ে কার্যকর: এটি লোমকে ত্বকের উপরিভাগের নিচ থেকে গলিয়ে দেয়। ফলে শেভিং করার চেয়ে অনেক বেশি দিন ত্বক মসৃণ থাকে।
- ধীরগতির রিগ্রোথ: এটি ব্যবহারের পর নতুন লোম দেরিতে গজায় এবং আগের চেয়ে নরম ও পাতলা হয়ে ওঠে।
- বেবি অয়েল সমৃদ্ধ: এতে থাকা ময়েশ্চারাইজিং বেবি অয়েল লোম দূর করার পাশাপাশি ত্বককে হাইড্রেট ও পুষ্ট করে।
- নরম ও ভেলভেটি ত্বক: ব্যবহারের পর ত্বক খসখসে না হয়ে অত্যন্ত নরম, কোমল ও সিল্কি হয়।
- কোনো ব্যথা নেই: ওয়্যাক্সিংয়ের মতো কোনো রকম টান বা ব্যথা ছাড়াই এটি কাজ করে।
- ঝটপট কাজ: মাত্র ৫ থেকে ৬ মিনিটের মধ্যে এটি শরীরের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করে দেয়।
- লেবুর সুবাস: এর রিফ্রেশিং লেবু বা সাইট্রাস ঘ্রাণ ব্যবহারের সময় একটি ফ্রেশ অনুভূতি দেয়।
- ক্ষতিকারক উপাদানমুক্ত: এটি সম্পূর্ণ প্যারাবেন-মুক্ত (Paraben-free) এবং ডাই-মুক্ত (Dye-free) হওয়ায় ত্বকের জন্য নিরাপদ।
ব্যবহার করার সঠিক নিয়ম
ক্রিম লাগানো: ত্বক পরিষ্কার ও শুকনা থাকা অবস্থায় লোমের ওপর ক্রিমের একটি ঘন ও সমান স্তর লাগান। ক্রিমটি ত্বকে ঘষবেন না।
সময় গণনা: ক্রিমটি ত্বকে ৩ থেকে ৫ মিনিট রেখে দিন। কোনো অবস্থাতেই এটি ১০ মিনিটের বেশি ত্বকে রাখবেন না।
পরীক্ষা করা: ৩-৪ মিনিট পর একটি ছোট অংশের ক্রিম স্প্যাচুলা বা সুতি কাপড় দিয়ে মুছে দেখুন লোম উঠছে কি না।
পরিষ্কার করা: লোম সহজে উঠে এলে বাকি ক্রিম স্প্যাচুলা দিয়ে আলতো করে তুলে ফেলুন। এরপর ত্বক ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে নিন।
কিছু জরুরি সতর্কতা
কাটা, ছেঁড়া, রোদে পোড়া বা অ্যালার্জিযুক্ত ত্বকে এটি ব্যবহার করবেন না।
এটি মূলত হাত, পা এবং আন্ডারআর্মসের (বগল) জন্য তৈরি; মুখের সংবেদনশীল ত্বকে এটি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
ক্রিম ব্যবহারের পর অন্তত ২৪ ঘণ্টা সুগন্ধি, ডিওডোরেন্ট বা সাবান ব্যবহার করবেন না।




















Reviews
There are no reviews yet.